নির্বোধের মত নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মারছেন না তো!

পোষ্ট লিখেছেনঃ | প্রকাশিত হয়েছেঃ রবিবার, অক্টোবর ২১, ২০১৮ | ভয়েস বিভাগঃ
ফেসবুকের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। শিশু-কিশোর, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, দিন মজুর, কোটিপতি, ক্ষমতাধর, ক্ষমতাহীন, নির্বোধ, বুদ্ধিমানসহ সমাজের সর্বস্তরের লোকজন ফেসবুকের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছে। কারণ ফেসবুক যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। হাজার হাজার মাইল দূরের বন্ধুদের সাথে আমরা ফেসবুকের মাধ্যমে সহজেই যোগাযোগ করতে পারছি। শুধু তাই নয়, অনেক হারিয়ে যাওয়া বন্ধুকেও ফেসবুকে এসে আমরা খুঁজে বের করে ফেলছি। বছরের পর বছর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পরও আমরা আমাদের পুরানো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হচ্ছি। এসবই ফেসবুকের অবদান। আমরা চাইলেও এসব অবদানকে অস্বীকার করতে পারি না। তবে সবকিছুর মত ফেসবুক ব্যবহারেরও কিছু মন্দ দিক আছে। আমরা যদি সেসব মন্দ বিষয়গুলো এড়িয়ে চলতে পারি তাহলে আমাদের নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি পরবর্তী প্রজন্মও সেই পথে হেঁটে নিজেদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে।




আমরা কম বেশি যারা ফেসবুক ব্যবহার করি তারা সকলেই জানি সম্প্রতি বহুল আলোচিত সমালোচিত একটি আইন পাশ হয়েছে আমাদের জাতীয় সংসদে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর কথাই বলছি। এই আইনে এমন কিছু ধারা সন্নিবেশিত হয়েছে যেগুলো সম্পর্কে  সচেতন না হলে আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক বা অর্থনৈতিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমাদের পুরো পরিবারও শেষ হয়ে যেতে পারে। আমিও ব্যক্তিগতভাবে ফেসবুক ব্যবহার করি। ফেসবুক ব্যবহার করতে গিয়ে একটি বিষয় লক্ষ্য করেছি যে, অনেকেই জেনে না জেনে ফেসবুকে  এমন সব শেয়ার, কমেন্টস, পোস্ট বা ছবি আপলোড করি যেটা আমাদের জীবনকে মূহুর্তেই ক্ষতিগ্রস্ত করে দিতে পারে।অনেক ক্ষেত্রে বুদ্ধিমান হয়েও আমরা নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দেই।


অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকেই অপরের ছবি বা পরিচয় ব্যবহার করে ফেসবুকে আইডি খোলেন। এটা একটি অপরাধ। যিনি এরূপ অপরাধ করছেন তিনি হয়তো বা ভাবছেন আমার পরিচয় বা ঠিকানা তো ফেসবুকে নেই। তাহলে পুলিশ আমাকে ধরবে কিভাবে। কিন্তু আপনি হয়তো বা জানেন না প্রযুক্তি কতটা এগিয়ে গেছে। আপনি কোন ডিভাইস থেকে কখন ও কোথা থেকে এইসব ছবি আপলোড করছেন বা শেয়ার করছেন বা সর্বোপরি যে এ্যাকাউন্ট টি আপনি পরিচালনা করছেন সব তথ্যই আইন শৃ্ঙ্খলা বাহিনী মুহুর্তেই বের করতে সক্ষম। আপনি যে অন্যের পরিচয় দিয়ে বা ছবি ব্যবহার করে বা পুরুষ হয়েও মহিলার পরিচয় ধারণ করে অন্যের সাথে প্রতারণা করছেন তার জন্য আপনার শাস্তি হতে পারে। কারণ এটি একটি অপরাধ। সদ্য পাশ হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৪ ও ২৬ ধারায় এ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

২৪। (১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়া-

(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাইবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন, বা

(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,-

(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া,

(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি,

(ই) অপর কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার রূপ ধারণ করিয়া কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন, 

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫(পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।



(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।


২৬। (১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, বিক্রয়, দখল, সরবরাহ বা ব্যবহার করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘‘পরিচিতি তথ্য’’ অর্থ কোনো বাহ্যিক, জৈবিক বা শারীরিক তথ্য বা অন্য কোনো তথ্য যাহা এককভাবে বা যৌথভাবে একজন ব্যক্তি বা সিস্টেমকে শনাক্ত করে, যাহার নাম, ছবি, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, মাতার নাম, পিতার নাম, স্বাক্ষর, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নম্বর, ফিংগার প্রিন্ট, পাসপোর্ট নম্বর, ব্যাংক হিসাব নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ই-টিআইএন নম্বর, ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল স্বাক্ষর, ব্যবহারকারীর নাম, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড নম্বর, ভয়েজ প্রিন্ট, রেটিনা ইমেজ, আইরেস ইমেজ, ডিএনএ প্রোফাইল, নিরাপত্তামূলক প্রশ্ন বা অন্য কোনো পরিচিতি যাহা প্রযুক্তির উৎকর্ষতার জন্য সহজলভ্য।


এছাড়া কোন কারণ ছাড়াই বা ব্যক্তিগত আক্রোশে অনেকেই ফেসবুকে অন্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং মানহানিকর তথ্য প্রচার বা শেয়ার করেন যা রীতিমত অপরাধ। এর জন্যও অনেকে মামলায় জড়িয়ে যেতে পারেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৯ ধারায় এ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

২৯। (১) যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে Penal Code (Act XLV of 1860) এর section 499 এ বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তজ্জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

এছাড়া অনেকেই ফেসবুক ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিকে বিরক্ত, অপমান, অপদস্থ বা হেয় প্রতিপন্ন করার অভিপ্রায়ে তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন বা অপপ্রচার বা মিথ্যা বলে জানা সত্বেও সেসব তথ্য প্রচার করেন যা অপরাধ হিসেবে গণ্য। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫ ধারায় এ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

২৫। (১) যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে,-

(ক) ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে, এমন কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ করেন, যাহা আক্রমণাত্মক বা ভীতি প্রদর্শক অথবা মিথ্যা বলিয়া জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও, কোনো ব্যক্তিকে বিরক্ত, অপমান, অপদস্থ বা হেয় প্রতিপন্ন করিবার অভিপ্রায়ে কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন, বা

(খ) রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ণু করিবার, বা বিভ্রান্তি ছড়াইবার, বা তদুদ্দেশ্যে, অপপ্রচার বা মিথ্যা বলিয়া জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও, কোনো তথ্য সম্পূর্ণ বা আংশিক বিকৃত আকারে প্রকাশ, বা প্রচার করেন বা করিতে সহায়তা করেন, 

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৩ (তিন) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।


আবার অনেকেই আছেন যারা ফেসবুকে এমন বিষয়
লেখেন বা শেয়ার করেন যা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে বা অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অথবা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় বা ঘটার উপক্রম হয়। এই সব লেখা বা শেয়ার করাও হলো অপরাধ। এমন কিছু করলে নিশ্চিত মামলায় জড়াবেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩১ ধারায় এ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

৩১। (১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন বা করান, যাহা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে বা অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অথবা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় বা ঘটিবার উপক্রম হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ। 

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

আমরা অনেকেই আছি যারা সচেতন বা অবচেতন ভাবেই এই সব বিষয়ে লিখি বা শেয়ার করি বা কমেন্টস করি। গালাগালি, অশ্লীল শব্দ ব্যবহার, ছবি ব্যবহার, অন্যের ছবি বিভিন্ন্ গ্রুপে পোস্ট করি বা শেয়ার করি। বুঝতেও পারি না এসব করে আমরা নির্বোধের মত নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মারছি।

সুপ্রিয় লিখিয়ে পাঠক! আপনি জেনে নিশ্চয় আনন্দিত হবেন যে, আইন সচেতন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সচেতন নাগরিক হিসেবে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের এই উদ্যোগ। চাইলে আপনিও হতে পারেন এই গৌরবের একজন গর্বিত অংশীদার। আমাদের ব্লগে নিবন্ধন করে আপনিও হতে পারেন আমাদের সম্মানিত লেখক। লিখতে পারেন আইন-আদালত, পরিবেশ, ইসলামী আইন যেমন কোরআন, হাদিসের আইনগত বিষয়, প্রাকৃতিক আইন, বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কিত প্রতিবেদন বা অভিজ্ঞতা বা অনুভূতি, অন্যায়, দূর্নীতি, হয়রানী, ইভটিজিং, বেআইনী ফতোয়া, বাল্য বিবাহ ইত্যাদিসহ যাবতীয় আইনগত বিষয়াবলী নিয়ে। আমাদের ব্লগের সদস্য হোন আর হারিয়ে যান জ্ঞান বিকাশের এক উন্মুক্ত দুনিয়ায়!


আপনি কি আমাদের ব্লগে লিখতে আগ্রহী? তাহলে এখানে নিবন্ধন করুন। আপনার কি কিছু বলার ছিল? তাহলে লিখুন নিচে মন্তব্যের ঘরে।
পোস্টটি শেয়ার করুন

Previous
Next Post »